লাখাইয়ে সিসিটিভি ফুটেজের সেই আলোচিত চোর গ্রেফতার: চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

পারভেজ হাসান লাখাই প্রতিনিধি:
গত ১০ জানুয়ারি (শনিবার) লাখাইয়ের বুল্লা বাজারের এহসান ফার্মেসী থেকে টাকা চুরির সেই আলোচিত ঘটনার রহস্য ১৬ দিন পর অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কালাউক বাজারে অভিনব কায়দায় চুরি করতে গিয়ে জনতা ও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে দুই চোর।
সোমবার দুপুর আনুমানিক ১২:৩০ মিনিটের সময় কালাউক বাজারের ব্যবসায়ী ফয়সালের দোকানে চুরির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবেশ করে তিনজনের একটি চক্র। তাদের মধ্যে দুইজন পুরুষ এবং একজন নারী ছিল। তারা দোকানদারকে বিভিন্ন মালামাল কেনার কথা বলে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করে। এই সুযোগে চক্রটি মোবাইল চুরি করতে গেলে দোকানদার বিষয়টি টের পান এবং হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে উপস্থিত জনতা তাদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
আটককৃত দুই চোর হলো:শরীফ (২২), পিতা- তাজু মিয়া, গ্রাম- সাতিয়ান দাস পাড়া। শাহ আলম মিয়া (২৭) (সিএনজি চালক), পিতা- আবু সাইদ মিয়া, গ্রাম- সাতিয়ান (১নং ওয়ার্ড)।
তবে তাদের সাথে থাকা নারী সদস্যটি কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি সিএনজি নিয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে এই ধরণের অভিনব পন্থায় চুরি করে আসছিল। সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো, গত ১০ জানুয়ারি বুল্লা বাজারের ‘এহসান ফার্মেসী’র সেই চুরির সিসিটিভি ফুটেজের ব্যক্তির সাথে আটককৃত শরীফের চেহারার হুবহু মিল পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে শরীফ স্বীকার করে যে, সেই চুরির ঘটনাটিও সে-ই ঘটিয়েছিল।
খবর পেয়ে লাখাই থানার এসআই মুন্না মিয়া, কনস্টেবল রিপন ও লোকমান দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনতা কর্তৃক আটক দুই চোরকে হেফাজতে নেন। লাখাই থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এলাকার ব্যবসায়ীরা এই চোর চক্র ধরা পড়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং পলাতক নারী সদস্যকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।